চট্টগ্রাম নগরীতে এখনো জমে উঠেনি কোরবানির পশুর হাট

আরিফুল ইসলাম, হালিশহর প্রতিনিধি:
কোরবানি ঈদের বাকি আছে আর মাত্র পাঁচ দিন।কিন্তু এখনো জমে ওঠেনি নগরীর বেশিরভাগ পশুর হাট।হাটে ছোট-বড় প্রচুর সংখ্যক গরু উঠলেও ক্রেতার সংখ্যা ছিলো নগন্য।

২৬ জুলাই রবিবার চট্টগ্রাম নগরীর সবচেয়ে বড় সাগরিকা পশুর হাট ঘুরে এই চিত্র দেখা যায়।করোনার প্রকোপ মাথায় রেখে হাটের সার্বিক ব্যাবস্থাপনা ও সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে জানতে চাইলে হাটের ইজারাদার মোঃ রাজু চট্টগ্রাম ট্রিবিউনকে বলেন, প্রশাসন থেকে বর্তমান সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন আমাদের যে সকল ব্যাবস্থা নিতে বলেছেন আমরা সকল প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করেছি এবং স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে মানুষকে সচেতন করতে পুরো হাটে প্রতিদিন প্রায় ৩০০ জন স্বেচ্ছাসেবক কাজ করে যাচ্ছে।

এছাড়া মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।তিনি আরো বলেন,এবছর কোরবানির পশুর কোনো সংকট হবে না,এখন পর্যন্ত হাটে পর্যাপ্ত গরু রয়েছে এবং সামনের দিনগুলোতে উত্তরবঙ্গ সহ দেশের নানা প্রান্ত থেকে আরো গরু আসবে। পুরো হাটের বিভিন্ন স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ প্রস্তুত আছে।এদিকে জাল নোট শনাক্ত করতে হাটের বিভিন্ন পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে একাধিক জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ।এসময় গরু কিনতে আসা ক্রেতার পাশাপাশি উৎসুক দর্শনার্থীদের ভীড় লক্ষ করা যায়। অনলাইনে পশু কেনায় আস্থা রাখতে না পারায় করোনা প্রকোপের মাঝেও হাটে ভীড় করেন ক্রেতারা।

এসময় বিভিন্ন জেলা থেকে গরু নিয়ে আসা বিক্রেতারা বলেন, এবার ক্রেতাদের নাগালের ভেতরে গরু বিক্রি করা হবে।তবে দর দামে না মেলায় এখনো বেচা-বিক্রি জমে উঠেনি। তবে বিক্রেতারা আশা করছেন কয়েকদিনের ভিতর জমে উঠবে পশুর -হাট এবং ক্রেতারা সহনীয় পর্যায়ে তাদের পছন্দের পশু কিনতে পারবেন।