ফটিকছড়িতে একইদিনে কিশোরীসহ ২ জনের মৃতদেহ উদ্ধার

মোহাম্মদ জিপন উদ্দিন, চট্টগ্রাম:
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে পৃথক পৃথকভাবে ১কিশোরী সহ ২জনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার বখতপুর ইউপির আবদুল গণির পুত্র আবদুল সেলিম (৫৫) লাশ গামরীতলা এলাকার একটি কবর স্থানের পাশের জঙ্গলের ভিতর পাওয়া যায়, এবং একইদিন উপজেলার নাজিরহাটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মনি(১২) নামের এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ।

থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বখতপুর ইউনিয়নের আবদুল গণির পুত্র আবদুল সেলিম (৫৫) স্ত্রীর সাথে অভিমান করে গত ১২ অক্টোবর রাতে বাড়ী হতে চলে যায়। পর দিন ১৩ অক্টোবর সকাল ১০ টার দিকে চা -নাস্তা করে গামারীতলা এলাকায়। তারপর আর কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) নানুপুর ইউনিয়নের উত্তর গামরীতলা এলাকার একটি কবর স্থানের পাশের জঙ্গলের ভিতর স্থানীয়রা মরদেহ দেখে থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এবং শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) দেলোয়ার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা লাশ উদ্ধার করি। পুরো শরীর কালো হয়ে যাওয়াতে হত্যা নাকি আত্নহত্যা বলা যাচ্ছেনা। ধারণা করা হচ্ছে বিশ পানে এ মৃত্যু হতে পারে। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে আসার আগ পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছুই বলা যাচ্ছেনা। এ সংক্রান্তে অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

এদিকে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ গতকাল শুক্রবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হতে তানজু মনি(১২) নামের এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তানজু মনি সকালে নিজেদের ফলনকৃত জমি থেকে বরবটি নিয়ে এসে বাবা-ভাইদের চা দেয়, এরপর হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে যায় এবং বমি করতে থাকে। স্থানীয় ডাক্তারের পরামর্শমতে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন৷ এভাবে হঠাৎ কিশোরীর মৃত্যু হওয়ায় ডাক্তারের সন্দেহ হলে লাশ পিতা মাতার কাছে দিতে অসংকোচ প্রকাশ করে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ দুপুরে লাশ থানায় নিয়ে আসে। পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে মৃত্যুর পিছনে তেমন কোন কারণ দেখতে না পেয়ে রাত ৮টার দিকে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।

উক্ত কিশোরী উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামের টিলা পাড়ার আবুল কালামের কন্যা।