এইচএসসির ফল মূল্যায়ন নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে আইনি নোটিশ

চট্টগ্রাম ট্রিবিউন ডেস্ক,
অটোপ্রমোশন পদ্ধতিতে এইচএসসির ফল মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত তিন দিনের মধ্যে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে শতাব্দী রায় নামের এক শিক্ষার্থী। তিন দিনের মধ্যে জবাব না দিলে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন ওই শিক্ষার্থীর আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান।

নোটিশে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্ত বেআইনি ও একমুখী। এর ফলে পরীক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক বৈষম্য তৈরি হবে। অটোপ্রমোশনের সিদ্ধান্ত পরীক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে বলেও আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, এর ফলে যারা ভালো প্রস্তুতি নেয়নি তারা সুবিধা পাবে। তবে করোনাভাইরাস মহামারির পরিস্থিতি অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই জানিয়ে নোটিশে বলা হয়, টেস্ট পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার মূল্যায়ন করা হলে সেটা গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত হবে।

গতকাল শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান, করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেয়া হবে না। তবে ভিন্ন পদ্ধতিতে মূল্যায়ন হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জেএসসি ও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে এ বছর এইচএসসির মূল্যায়ন হবে। সরাসরি পরীক্ষা গ্রহণ না করে ভিন্ন পদ্ধতিতে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা দুটি পাবলিক পরীক্ষা অতিক্রম করে এসেছে। তাদের জেএসসি ও এসএসসির ফলের গড় অনুযায়ী এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে।

সেই সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষার পর যারা বিভাগ পরিবর্তন করেছে তাদের ফল মূল্যায়নের জন্য পরামর্শক কমিটি গঠন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। শিক্ষামন্ত্রী জানান, যে পদ্ধতিতে মূল্যায়ণ হচ্ছে সেটি যাতে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয় সেটিও দেখা হচ্ছে।

করোনার কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। পয়লা এপ্রিল থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও স্থগিত হয়ে যায় ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষা।