পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীদের জীবনে বেঁচে থাকা মানেই এক সংগ্রাম

রাজস্থলী, রাংগামাটি প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংস হচ্ছে পার্বত্য চট্রগ্রাম দক্ষিন, উত্তর পূর্বাঞ্চলে বন ভূমি বিস্তৃত এলাকা জুড়ে প্রাকৃতিক সম্পদ সবুজ পাহাড় পর্বত নদী খাল বিল জীব বৈচিত্র্য ঘিরে নিয়ে এই রাংগামাটি, খাগড়াছড়ি, ও বান্দরবানে ১১ ক্ষুত্র নৃগোষ্ঠী জাতি বসবাস জীবন এক বেঁচে থাকা সংগ্রাম অবিচল সীমাহিন পেরিয়ে বিভিন্ন দুর্গম প্রান্তে যুগ যুগ ধরে বসবাস করছে।

এদের প্রধান জীবিকা জুম চাষাবাদ সহ পাশাপাশি এখন শাকসবজি ফলজ বনজ চাষাবাদ করে সারাবছর অক্লান্ত পরিশ্রম মধ্যে দিয়ে পরিবাবারে জীবিকা নির্বাহ করতে দেখা যায়। অন্যদিকে যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই সোচনীয় পাহাড়ে উচু নিচু বেয়ে সারাদিন ঘন্টা পর ঘন্টা পায়ে হেটে বিভিন্ন ফল মূল শাকসবজি বহন করে নিয়ে আসে সপ্তাহিক হাট বাজারে কিন্তু দু:খের সাথে বলতে পরিশ্রমের তুলনায় ন্যায্য মূল্যে বঞ্চিত হতে দেখা যাচ্ছে। কখন পাহাড়ের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সম্প্রদায়ের ন্যায্য মূল্যে কখন ফিরে পাব এবং অার্থসামাজিক পরিবর্তন আয়ের সঠিক উৎস কবে আমরা স্বাবলম্বী দৃশ্য দেখতে পেতে পারি।

প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সাথে লড়াই করে যুদ্ধের ময়দানে বেঁচে থাকা। সাধারন ম্রো, মুরুং, চাক, খুমি রা ও এখনো শি ক্ষা দী ক্ষা দিয়ে হমে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। যা বাস্তবে গ্রামে বা পাড়া না গেলে কেউ বুঝতে পারবে না। আমরা তো এদেশের জম্মেছি ৫ টি মৌলিক অধিকার নিয়ে বাঁচতে চাই। অন্যদিকে পাহাড়ে প্রাকৃতিক সম্পদ ধবংস হয়ে যাচ্ছে কিছু অসাধু খেকোদের কারণে এই পাবর্ত্য চট্রগ্রামের আস্তে আস্তে জীব বৈচিত্র্য রুপ প্রকৃতি সৌন্দর্যময় ধবংস বা বিলুপ্ত দেখা যায়। এর সমাধান কোথায় কেউ তো জানি না শুধু বিবেকের কাছে হাজার প্রশ্ন ছাড়া কারো ভাষা নেই হারিয়ে গেছে। আমাদের নিজের ঐতিহ্যগত সামাজিক আচার আচারন বৈশিষ্ট্য সংস্কৃতি মাতৃভাষা চর্চা ধর্মীয় চর্চা মনোভাব আস্তে আস্তে কোনদিকে যাচ্ছে এখনো কেউ সঠিক বলতে পারে না। পৃথিবীতে শিক্ষা আলো বেঁচে থাকা না থাকার সমান বলা যায়। শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি দেশ সমাজ এগোতে পারেনা। একদিকে অর্থনৈতিক আর্থসামাজিক আয়ের পরিবর্তন আসা আর অন্যদিকে সু শি ক্ষিত ছাড়া কোন বিকল্প নেই।

পাহাড়ের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সম্প্রদায়ের অার্থসামজিক পরিবর্তনশীল হওয়া খুবই জরুরী হয়ে পড়ে। যা পাহাড়ের অরণ্য দুর্গম বসবাসকারীদের দুচোখে না দেখলে কেউ বিশ্বাস বা সহজে বুঝতে পারবেনা বা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। আমরা সকলে ও মৌলিক বা মানবাধিকার অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই। পাহাড়ের রুপ পরিবর্তন হতে কত যুগ লাগবে এখনো কেউ জানি না। কিছু কিছু এলাকা দুর্গমের পাহাড়ে এখনো সুবিধা বঞ্চিতদের শিক্ষা আলোসহ স্বাস্থ্য দিক দিয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। ১৯৯৭ সালে শান্তি চুক্তি পর হতে পাহাড়ের রক্ত ক্ষয় বৃদ্ধি ঝড়ছে যেমন, খুন হত্যা,অপহরন গুম,ধষর্ণ বেড়েই চলেছে কবে যে বন্ধ রুুপ দেখব সকলে। শান্তি সম্প্রীতি পাহাড়ের মানুষ এক বেঁচে থাকা অাকুলতি বিশ্বাস বা অনুপ্রেরণায় যোগায়। শান্তি চাই, শান্তি চাই, শান্তি চাই।