স্কুল কলেজ শিক্ষার্থীদের নতুন ট্রেন্ড ( মিট -আপ)

শেখ মাঈনুদ্দিন হাসান খালেদ:  ২০২০ সাল কম বেশি সকলের কাছে কষ্টের কিংবা দুঃখের। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের ( কোভিড-১৯) ভয়াল থাবা দেশের মানুষের জনমনে এক ধরনের আতংক সৃষ্টি করেছে।করোনার প্রকোপ মানুষকে দীর্ঘ সময় লকডাউনে কাটাতে হয়েছে।

সকল কর্মসংস্থান পুনরায় চালু হলেও,বন্ধ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।ফলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ভেতর একধরণের দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া অনলাইনে ক্লাস শুরু হলে তাতেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সুফল। শুধু তাই নয় দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা এক ধরনের অলস সময় পার করছে, অনেক শিক্ষার্থী ইন্টারনেট ব্যবহারে আসক্ত হয়ে পড়েছে, এছাড়া বাড়ছে বাল্যবিবাহ। এতে দেশের শিক্ষা খাত যেমন চরম হুমকির মুখে তেমনি শিক্ষার্থীরাও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ।লকডাউন পরবর্তীতে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী করোনার তোয়াক্কা না করে কারণ ব্যতীত ঘরের বাইরে বেড়িয়ে পড়ছে সহপাঠীদের সাথে শহরের বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় জমিয়েছে আড্ডা।সকলের চেহেরা তে যেন রবি ঠাকুরের একটি গান ভেসে আসছে “ পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবো কিরে হায়…. ”

এ বিষয়ে এক শিক্ষার্থীকে এমন আয়োজন এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে শিক্ষার্থীটি বলেন, “ আমরা দিনের সবচেয়ে ব্যস্ত সময় পার করি বিদ্যালয়ের সহপাঠীদের নিয়ে। তাদের সাথে আমরা আমাদের সকল মনোভাব এমনভাবে প্রকাশ করি যা আমরা আমাদের পরিবারের সদস্যদের সাথেও সহজে করতে পারি না। আমাদের সহপাঠীরা আমাদের কাছে আমাদের পরিবারের সদস্যদের মতো। কোভিড-১৯ নামক এ মহামারি চলাকালীন দীর্ঘসময় আমরা সহপাঠীরা একজন আরেকজনের কাছ থেকে দূরে ছিলাম যা ছিল আমাদের নিকিট অত্যন্ত কষ্টের। তাই এ মহামারির প্রকোপ কিছুটা কম হওয়ায়, আমরা বন্ধুরা মিলে রেস্তোরাঁয় আড্ডা দিয়ে আমাদের অমূল্য এই সম্পর্কটাকে অটুট রাখছি।

ছবিটি গতকাল নগরীর এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন এক রেস্তোরাঁয় চট্টগ্রাম এর হাজী মুহাম্মাদ মহসিন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের  মিলনমেলা। যেটি শিক্ষার্থীদের মাঝে এক নতুন ট্রেন্ড (মিট-আপ) নামে স্থান পেয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here