সীমানা বাড়িয়ে নতুন সাজে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা!

মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম:
বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত বন্দরনগরীর ফয়ে’স লেক এলাকায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও গবেষণারের নাম ‘চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা'(Chittagong Zoo)।

এটি ১৯৮৯ সালের ২৮ই ফেব্রুয়ারি পাহাড়তলী ইউএসটিসি মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন ৬ একর জায়গাজুড়ে বানর, সিংহ, হরিণ ও হনুমান এই চার প্রজাতির ১৬টি প্রাণী নিয়ে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার যাত্রা শুরু হয়।

বর্তমানে প্রায় ১০ দশমিক ২ একর জায়গাজুড়ে নতুন রূপে প্রস্তুত করা হয়েছে চিড়িয়াখানাকে। নতুন করে ৪ একর জায়গায় বাড়িয়ে করা দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা ও জায়গাগুলো দেখে চোখ জুড়িয়ে যাচ্ছে দর্শনার্থীদের।

বর্তমানে এই চিড়িয়াখানায় বিভিন্ন স্তন্যপায়ী, পাখি এবং সরীসৃপ মিলিয়ে প্রায়ই ৭২টি প্রজাতির তিন শতাধিক প্রাণী রয়েছে।

এদের মধ্যে রয়েছে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, মায়া হরিণ, এশীয় কালো ভালুক, ভারতীয় সিংহ, আফ্রিকান জেব্রা, রেসাস বানর, উল্টো লেজি বানর, চিত্রা হরিণ, সাম্বার হরিণ, মুখপোড়া হনুমান, প্যারা হরিণ, উল্লুক, চিতা বিড়াল, তিতির, ময়ূর, রাজ ধনেশ, মদনটাক, তিলাঘুঘু, ভুবন চিল ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

দর্শনার্থীদের নতুন আকর্ষণ এখন চার একর পাহাড়জুড়ে নৈসর্গিক সিঁড়িটি। লাল, সবুজ, হলুদ ও নীল রঙের ঝলকানি আঁকাবাঁকা ‘স্বর্গের সিঁড়ি’। সিঁড়ির পাশের দেয়ালজুড়ে শিল্পীর আঁকা শিশুদের প্রিয় সব বন্যপ্রাণী। কেউ যাতে সিঁড়ির পাশ দিয়ে পড়ে না যায় সেজন্য দেয়া হয়েছে স্টিলের বেড়া।

সিঁড়ি যেখানে শেষ, সেখানে শিশু-কিশোরদের কোলাহল। দোলনায় দোল খাচ্ছে শিশুরা, মজার মজার রাইডে চড়ে উল্লাসে মেতেছে তারা। কেউবা ব্যস্ত বাঘ, সিংহের সঙ্গে সেলফি বা ছবি তুলতে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here