সাজনীনের উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচারের প্রতিবাদ

ফেনি জেলা প্রতিনিধিঃ
স্বামী পরিত্যক্তা ও তালাক প্রাপ্ত সাজনীন আক্তারের উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাবেক ভাসুর মোহাম্মদ উল্যাহ।

গতকাল শনিবার ফেনী প্রেসক্লাবের অস্হায়ী কার্যালয়ে এসে মোহাম্মদ উল্যাহ বলেন, আমার ছোট ভাই বাহরাইন প্রবাসী মোশারফ হোসেন স্বপনের সাথে ২০১৩ সালে সাজনীনের বিয়ে হয়। বিয়ের ছয় মাস পর সাজনীন স্বামীর কাছে বাহরাইন চলে যায়। সাত বছরের বৈবাহিক জীবনে সাজনীন ছয় বছরই বাহরাইন ছিলো। স্বপন- সাজনীনের বিয়ের আগ থেকেই আমি ফেনী শহরে পরিবার নিয়ে থাকি। এখনো আছি। সুতরাং যার সংস্পর্শে কোন দিন, কোন সময় ছিলাম না, তাকে কিভাবে নির্যাতন করা হয়? প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে আমি ও আমার পরিবারকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার অসৎ উদ্দেশ্যে সাজনীন, মিথ্যা, বানোয়াট ও মুখরোচক গল্প তৈরী করে মিডিয়ার মাধ্যমে অপপ্রচারে লিপ্ত।

সাজনীনের উশৃংখল আচার- আচরন,চলাফেরা, অতিমাত্রায় অহংকার, কথায় কথায় অশিক্ষিত বলে গালমন্দ,একঘুঁয়েমী, স্বামীর আত্মীয়- স্বজনের সাথে তুচ্ছ্য তাচ্ছিল্যসহ নানান কারনে মোশাররফের সাথে তার দাম্পত্য কলহ দীর্ঘদিনের। গত বছর আমার বাবার মৃত্যু সংবাদে দেশে আসার সময় সাজনীন- মোশাররফ চরম বিতন্ডায় লিপ্ত হয়। সে সময় সাজনীনের উত্তেজক ব্যবহার মোশারফের মনে চরম আঘাত হানে। ফলে দেশে আসার চারদিন পর মোশারফ স্ত্রী- পুত্র রেখে কাউকে কিছু না জানিয়ে বিদেশ চলে যায়। এসব ঘটনা আমরা পরে জেনেছি। এটা তাদের স্বামী- স্ত্রীর ব্যাপার। এরপর মোশারফ সাজনীনকে তালাকনামা পাঠায়। এতে সে ক্ষেপে গিয়ে মোশারফ,আমাকে ও আমার পরিবারকে জড়িয়ে আদালতে পর পর তিনটি দায়ের করে। ফেনীর পুলিশ সুপার বরাবরও দরখাস্ত করে।

পুলিশ সুপারের নির্দেশে পুলিশী তদন্তে সাজনীনের অভিযোগ মিথ্যা প্রমানিত হয়। সাজনীন তার স্বামীকে ভাগে আনতে না পেরে অযথা আমার চরিত্র হননের অপচেষ্টায় লিপ্ত। অথচ আমার বিরুদ্ধে এই পর্যন্ত ( সাজনীনের দেওয়া মামলা ছাড়া) থানায় কোন জিডি পর্যন্ত নাই। আমি একজন সচেতন ব্যক্তি হিসাবে কারো সংসার ভাঙ্গুক তা চাই না। মোশাররফ তার স্ত্রীকে রাখবে না ছাড়বে সেটা তার ব্যাপার। এখানে আমাকে ও আমার পরিবারকে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচার অনভিপ্রেত। আমি সংশ্লিষ্ট মহলসহ সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলছি, সত্যটা উদঘাটিত হোক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here