“লাইলাতুল ক্বদর: একটি বরকতময় রজনী”- মাওলানা নিজাম উদ্দিন আনছারী

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

“লাইলাতুল ক্বদর:একটি বরকতময় রজনী”

ভূমিকা:
লাইলাতুল ক্বদর আরবী শব্দ।লাইলাতুন শব্দের অর্থ রাত ,আর ক্বদর শব্দের অর্থ মর্যাদা,ভাগ্যেন্নয়ন,নির্ধারিত ভাগ্য,মহাসম্মান ইত্যাদি।অতএব লাইলাতুল ক্বদর এর অর্থ মর্যাদার রাত্রি,সম্মানিত রাত এবং ভাগ্যেন্নয়নের রাত ইত্যাদি।এই রাতটি উম্মাতে মুহাম্মাদীর জন্য সবচেয়ে বড় নেয়ামত।একটি রাতের ইবাদাত এক হাজার মাস বা প্রায় ৮৪ বছর ইবাদাতের চেয়েও উত্তম।ইমাম মালেক র: বলেন,আমার কাছে সংবাদ এসেছে রাসূল ( সা:)পুর্ববর্তী উম্মতের বয়স দেখেছেন। সেই হিসেবে তার উম্মাতের বয়স কম,তাই তারা পূর্ববর্তী উম্মাতের মত আমল করতে পারবেনা।অত:পর আল্লাহ তায়ালা তাকে লাইলাতুল ক্বদর প্রদান করলেন যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম।মুজাহিদ রহ: থেকে বর্ণিত আছে, রাসুল (সা: ) একদা বণী ঈসরাইলের এক ব্যক্তির সম্পর্কে আলোচনা করলেন যিনি এক হাজার মাস দিনের বেলায় অস্ত্র বহন করেছেন বা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করেছেন এবং রাত্রি বেলায় ‍দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আল্লাহর ইবাদাত করেছেন।তার এই আমল সাহাবাবৃন্দ অবাক হলেন।অত:পর আল্লাহ তায়ালা সুরা ক্বদর নাজিল করলেন যাতে বলা হয়েছে,লাইলাতুল ক্বদর এক হাজার মাসের ইবাদাতের চাইতেও উত্তম।
লাইলাতুল ক্বদরের নাম করণ:
অফুরন্ত মর্যাদা ও মহত্তের কারণে এ রাতকে লাইলাতুল ক্বদর বলা হয়।এ রাতে আল্লাহ তায়ালা যা কিছু হবে তা নির্ধারণ করেন এবং প্রত্যেকটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন এজন্য এ রাতকে লাইলাতুল ক্বদর বলা হয়।পবিত্র কুরআনে বর্ণিত আছে ‘-এ রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপুর্ণ বিষয় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়”{সুরা দুখান-০৪}।হযরত ইবনে আব্বাস রা: থেকে বর্ণিত আছে আল্লাহ তায়ালা এই রজনীতে পুরো বৎসরের বৃষ্টি,রিজিক,জীবন ও মৃত্যু ইত্যাদি নির্ধারণ করেন।অত:পর এই বিষয়গুলো দায়িত্বপ্রাপ্ত ফেরেশতাদের নিকট পেশ করেন।বৃষ্টি উদ্ভিদ ও রিজিকের বিষয় মিকাঈলের নিকট পেশ করেন।যুদ্ধ,বাতাস,ভূকম্পন ইত্যাদি জিব্রাঈলের নিকট পেশ করেন।আমলের পাণ্ডলিপি ইসরাফীলের নিকট পেশ করেন।আর মৃত্যু ও মুসিবতের বিষয় মালাকুল মাওতের নিকট পেশ করেন কিন্তু মানুষ এর থেকে বিমুখ হয়ে আছে। এ রাতে আল্লাহ তায়ালা একটি সম্মানিত কিতাব একজন সম্মানিত ফেরেশতার মাধ্যমে জাতির নিকট নাজিল করেছেণ,এ জন্য এ রাতকে লাইলাতুল ক্বদর বলা হয়।
লাইলাতুল ক্বদর নির্ধারণ:
সাধারণত আমরা মনে করি রামাদানের ২৭ তারিখ লাইলাতুল ক্বদর।এই ধারণাটি সঠিক নয়।কারণ রাসুল (সা:) কখনো বলেননি ২৭ শে রামাদান ক্বদরের রাত।তবে অনেক সাহাবী ,তাবেয়ী এবং উলামাগণ বলেছেন ২৭ শে রামাদান ক্বদরের রাত হওয়ার সম্ভাবনা বেশী।এজন্য আমাদের দায়িত্ব হলো রামাদানের শেষ দশকের সবগুলো রাতকেই ক্বদরের রাত হিসেবে ইবাদাত করা। নিচে লাইলাতুল ক্বদর নির্ধারণের ব্যাপারে আলেমগণের বক্তব্য তুলে ধরা হলো:-
ক.এ রাতটি রামাদান মাসের যে কোন রাতে হতে পারে। আর এ রাতের ফজীলত ক্বিয়ামত পর্যন্ত জারী থাকবে।
খ.এ রাতটি রামাদান মাসের শেষ দশকে হতে পারে।কারণ রাসুল (স:) বলেছেন‘-যদি কেউ লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করতে চায় তবে সে যেন তা রামাদানের শেষ রাত্রি তে তালাশ করে।{মুসলিম-২৮২৩}
গ.এ রাতটি রামাদানের শেষ দশকের বিজোড় রাত্রে হতে পারে।নবী করিম (সা:) বলেছেন:-রামাদানের শেষ দশকের দিনের বিজোড় রাত্রিতে ক্বদরের রাত তালাশ কর’{বুখারী-১৯১৩}
অন্য হাদিসে নবী সা:বলেছেন:-’আমাকে লাইলাতুল ক্বদর দেখানো হয়েছে,অতঃপর আমাকে তা ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে।অতএব তোমরা শেষ দশ রাতের বিজোড় রাত্রিগুলোতে তা খোঁজ কর।{বুখারী-১৯১২}
ঘ.এ রাত রামাদানের শেষ সাত রাতে হওয়ার সম্ভাবনা বেশী।রাসুল সাঃ বলেছেন:-“তোমরা রামাদানের শেষ দশ রাত্রিতে লাইলাতুল ক্বদর অনুসন্ধান করো।যদি কেউ একান্ত দূর্বল হয়ে পড়ে,তবে অন্তত শেষ সাত রাতের ব্যাপারে যেন কোনোভাবেই দূ্র্বলতা প্রকাশ না করে।”।
ঙ.পরবর্তী অধিকাংশ উলামাদের মতে লাইলাতুল ক্বদর রামাদানের ২৭ তারিখ হওয়ার সম্ভাবনা বেশী।প্রমাণ হিসেবে তারা সাহাবীদের উক্তি এবং গবেষণা ভিত্তিক দলিল পেশ করেছেন যা নিম্নরুপ:-
১.উবাই ইবনে কা’ব [রা.] থেকে বর্ণিত ,তিনি বলেন যে আল্লাহর শপথ করে বলছি,আমি যতদুর জানি রাসূল (সা: ) আমাদেরকে যে রজনীকে ক্বদরের রাত হিসেবে ক্বিয়ামুল্লাইল করতে নির্দেশ ‍দিয়েছিলেন তা হলো রামাদানের ২৭ তম রাত।{সহীহ মুসলিম,খন্ড ২ ‍পৃষ্ঠা ১৭৮}
২.আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা: থেকে বর্ণিত রাসূল (স: ) বলেছেন,যে ব্যক্তি ক্বদরের রাত অর্জন করতে ইচ্ছুকে সে যেন তা রামাদানের ২৭ তম রজনীতে অনুসন্ধান করে।{মুসনাদে আহমদ-২৮৪৫,৮ম খন্ড}
৩.কোনো কোনো আলেম গবেষণা করে বলেন,লাইলাতুল ক্বদর শব্দটির ভেতরে ৯ টি অক্ষর আছে। আর এই শব্দটি সুরা ক্বদরে ৩ বার উল্লেখ আছে। সুতরাং ৯ কে ৩ ‍দ্বারা গুন করলে হয় ২৭।তাই তাদের মতে লাইলাতুল ক্বদর রামাদানের ২৭ তম দিনে হওয়ার সম্ভাবনা বেশী।
লাইলাতুল ক্বদরের ফজিলত ওমর্যাদা:
লাইলাতুল ক্বদর মুসলিম উম্মাহর জন্য মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক মহান নেয়ামত।এটি অত্যন্ত সম্মানিত ও মহিমান্বিত রাত। এ রাতের রয়েছে অফুরন্ত ফজিলত ও মর্যাদা।যা নিম্নরুপ:-
১.লাইলাতুল ক্বদর হাজার মাসের চাইতে উত্তম। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন,‘‘১.লাইলাতুল ক্বদর হাজার মাসের চাইতে উত্তম’’-সুরা ক্বদর ,আয়াত ৩।অতএব,এ রজনীর ইবাদাত প্রায় ৮৩ বছর ৪ মাসের চেয়ে উত্তম।
২.লাইলাতুল ক্বদর পবিত্র কুরআন নাজিলের রাত। যেমন আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন,“-আমি লাইলাতুল ক্বদরে এটি(কুরআন)নাজিল করেছি।(সুরা ক্বদর,আয়াত ১)
৩.এটি বরকতময় রজনী। আল্লাহ তায়ালা ‍সুরা দুখানের ৩ নম্বর আয়াতে সেটা বলে ‍দিয়েছেন“নিশ্চয়ই আমি এটি(কুরআন)বরকতময় রজনীতে নাজিল করেছি।
৪.এটি পরবর্তী এক বছরের জন্য ভাগ্য নির্ধারণের রাত।আল্লাহ তায়ালা বলেন,“এ রাতে প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।(আদ দুখান-৪)
৫.এটি মাগফিরাতের রজনী।রাসূল (স:) বলেছেন,“যে ব্যক্তি ঈমানের সাতে সাওয়াব লাভের আশায় ক্বদরের রাকে ইবাদাত করে তার অতীতের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়”।(বুখারী-১৮০২)
৬.এটি ‍শান্তির রজনী।আল্লাহ তায়ালা বলেন,“এটি শান্তি ও নিরাপত্তা যা ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।(ক্বদর-০৫)
৭.এটি জিব্রাঈল এবং ফেরেশতা অবতীর্ণ হওয়ার রাত।আল্লাহর বাণী:“এতে প্রত্যেক কাজের জন্য ফেরেশতাগণ ও রুহ(জিব্রাঈল অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে”-(ক্বদর-০৪)
৮.এই রজনীর সম্মানার্থে মহান আল্লাহ তায়ালা একট পূর্ণাঙ্গ সুরা নাজিল করেছেন।
লাইলাতুল ক্বদরের আমল ও ইবাদাত:
প্রত্যেক ইবাদাতের ক্ষেত্রে রাসূল (সা:)এর তরীকা অনুস্মরণ করা আবশ্যক।এতেই আমাদের জন্য নাজাত রয়েছে।লাইলাতুল ক্বদর একটি মহিমান্বিত ও ফজিলতপূর্ণ রাত।কল্যাণময় এ রাতে আমরা নিম্নোক্ত আমল গুলো করতে পারি:
ক.লাইলাতুল ক্বদরের জন্য রাসূল সা: একটি দোয়া শিখিয়ে দিয়েছেন।হযরত আয়েশা (রা:) বলেন,হে আল্লাহর রাসূল (সা: ) যদি আমি লাইলাতুল ক্বদর পাই তাহলে কি বলবো? রাসূল (সা:) বলেন,তুমি বলবে: ”আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউ্যুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নি” –‘হে আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল,আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন,আপনি আমাকে ক্ষমা করুন’।(তিরমিযি-৩৮৫৫)
খ.নিজে ইবাদাত করা এবং নিজের পরিবার ও অধীনস্থদেরকে জাগিয়ে ইবাদাতে উদ্বুদ্ধ করা।রাসূল (সা:) রামাদানের শেষ দশকে এ কাজটি করতেন।
গ.দীর্ঘ সময় ধরে তারাবীহ ও তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া।আমাদের দেশে অনেক মসজিদে ক্বদরের রাতে তারাবীহর নামাজ রাতে সংক্ষিপ্ত করে পড়া হয় ,এটা উচিৎ নয়।
ঘ.বেশী বেশী কুরআন তিলাওয়াত করা ।হাদীসে বর্ণিত আছে-“কুরআন তিলাওয়াত সর্বোত্তম ইবাদাত”(কানযুল উম্মাল-হাদীস নং২২৬৪)
ঙ.রাসূল (সা: ) এর উপর বেশী বেশী দরুদ পড়া।রাসূল (সা: )বলেছেন,“যে আমার উপর একবার দরুদ পাঠ করবে আল্লাহ তায়ালা তার উপর দশটি রহমত নাযিল করেন”।(আবু দাউদ ১৫৩২)
চ.বেশী বেশী আল্লাহর কাছে তাওবাহ করা ও ইস্তেগফার পড়া।সকল প্রকার গুনাহ থেকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া ।
ছ.হাদীসে বর্ণিত তাসবীহ তাহলীল ও যিকর- আযকারের মাধ্যমে এ রাত অতিবাহিত করা ।বিশেষ করে ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী সুবহানাল্লাহিল আজিম‘ বার বার উচ্চারণ করা ।
জ.একাগ্রচিত্তে একাকী দুয়া কবুল হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে বেশী বেশী দুয়া করা ।দুয়ার মধ্যে আপনজন,জীবিত ও মৃত সকলকে শামিল করা।
ঝ.সিজদার মধ্যে দীর্ঘ সময় নিয়ে দুয়া করা ।কেননা হাদীসে কুদসীতে এসেছে-“বান্দাহ সিজদার মধ্যে আমার খুর কাছাকাছি চলে আসে “। এছাড়া সাদাকাহ ও দান- খয়রাত,আল্লাহর পথে ব্যয়,গরীব মিসকিনদের মাঝে খাবার বিতরণের মাধ্যমে এই রজনী উদযাপন করতে পারি।

লাইলাতুল ক্বদরে বর্জনীয়:
এই রাতে করণীয় আমলের সঙ্গে কতগুলো বর্জনীয় বিষয়ও জড়িত।সেইসব বিষয় বর্জন না করলে শবে ক্বদরের মাহাত্ন্য হতে বঞ্চিত হতে হয় ।সফলতার পরিবর্তে ব্যর্থতা,রাহমাতের পরিবর্তে গজব,পূণ্যের পরিবর্তে শাস্তি পেতে হয় ।এগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ
১.অনর্থক কথা-কর্ম ও পাপানুষ্ঠানঃ আজে বাজে কথা- কাজ কিংবা পার্থিব নানাবিধ অপকর্মে এই সুবর্ণ সুযোগের অপব্যবহার এবং সর্বপ্রকার পাপ কর্ম পাপ প্রেরণা বর্জন করতে হবে।
২.শিরক-বিদআত ও কুসংস্কারঃ বাংলাদেশসহ উপমহাদেশের প্রায় সব অঞ্চলে দেখা যায়,শবে ক্বদরের সময় আতশবাজি ফোটানো,হালুয়া-রুটি ও হরেক রকম খাদ্যের আয়োজন করা,ফাতেহা করা,মাজার-মসজিদে আলোকসজ্জা করা,কবরস্থানে মেলা ও উৎসব করা,কবর-মাজারে মোমবাতি আগরবাতি জ্বালোনো ও ইসলাম বহির্ভুত কর্মকান্ড করা হয় । এইসব কাজ অবশ্যই বর্জন করতে হবে।কারণ এসব কাজের সাথে ইসলামের কোন দূরতম সম্পর্ক ও নেই ;বরংএইসব কর্মকান্ডের সাথে জড়িয়ে রয়েছে শিরক,বিদআত ও কুসংস্কার অত্যন্ত জোরালো মাখামাখি।মূলত কোন জাতি যখন স্বীয় কর্মশক্তি ও ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলে,তখন সেই জাতি কাজের চেয়ে প্রদর্শণীকে বেশী ভালোবাসে।তারা সামাজিক কুসংস্কারের আবরণ দিয়ে সত্যের চেহারাকে আবৃত করে রাখে।তাই ক্বদর রাতসহ সকল ইসলামী পর্ব ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে কুপ্রথা ও কুসংস্কার থেকে মুক্ত রেখে বিশেষ করে শবে ক্বদরের মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখা আমাদের ঈমানী ও সামাজিক দায়িত্বও বটে।
উপসংহার:
সম্মানিত পাঠক,আজ গোটা বিশ্বজগৎ এক মহা বিপর্যয়ের সম্মুখিন।কুরআনের ভাষায় পৃথিবীতে যত আজাব গজব সব কিছু মানুষের নিজেদের হাতের কামাই।করোনা ভাইরাসের মত মহামারীতে ইতমধ্যে তিন লক্ষের মত বনী আদম দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে। পঞ্চান্ন লক্ষের ও অধিক মানুষ আক্রান্ত।এই অবস্থায় আল্লাহর সাহায্য ছাড়াও আমাদের বাঁচার কোন পথ নেই। তাই বিশ্ব মানবতার মুক্তির জন্য এই রজনীতে আল্লাহর দরবারে আমাদের বিশেষ দোয়া করা দরকার। পবিত্র মাহে রামাদানে আমাদের সেটাই হোক অঙ্গিকার। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে শিরক মুক্ত ঈমান ও বিদআত মুক্ত আমল করার তাওফিক দান করুন।আমিন ইয়া রাব্বাল আলামিন।

খতীব ও পেশ ইমাম
বারইয়ারহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ
মিরসরাই ,চট্টগ্রাম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here