ভাবনার কবির থেকে ভাবনার কবি

ভাবনার কবির থেকে ভাবনার কবি

লেখক: মোঃ জিহান উদ্দীন,
স্বপ্নে ব্যর্থ হওয়া কবির দু:খ ভরাক্রান্ত ও বিষন্ন মন নিয়ে বসে অাছে ছাদের উপর। বেচারা কবির তার স্বপ্নটা পূরণ করতে না পেরে আনমনা ভাব নিয়ে প্রতিদিন বসে থাকে ছাদের উপর। আর প্রকৃতির দিকে তাকিয়ে নির্জনতাকে জমিয়ে কি, কি যেনো প্রাই ভাবতে থাকে। কখনো উপরে, কখনো নিচে, কখনো ডানে, কখনো বামে তাকিয়ে, অজানা কিছু ভেবেই যেতেন খুব মনোযোগ দিয়ে।এমন কি তার মারাত্মক ভাবনার জন্য লোকেরা তাকে ভাবনার কবির নামেই অভিহিত করত। বেচারা কবিরের স্বপ্ন ছিলো কোন একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যপনা করে একজন নাট্যকার হওয়া। আর সেটা কোন একটা সামান্য দূর্ঘটনায় তা পূরণ না হলে, সে খুব ভেঙে পড়ছিলো। আর সেই থেকে জন্ম নিলো কবিরের আরেকটা অধ্যায়। কবির এখন খুব চুপ-চাপ থাকে, কারো সাথে তেমন কথাই বলে না। সবসময় চেহারাটাকে কালো মেঘের মতো করে রাখে এবং শুধু চিন্তাই মগ্ন থাকে। আর প্রায় সময় তার ভাবনার জায়গাটাই হলো যে, তার বাড়ির ছাদ। ওহ হে! এই ভাবনার কবির আবার নাটক ফলোও করত। বলতে গেলে তার নাটক দেখাটা কেমন জানি পড়াশুনাই মনে হয়। যেমন সে যে একটা নাটক দেখতো সেটার মর্ম একদম বুঝে পেলতো এবং নাটকের সব কিছু তার মাথায় এ্যাড থাকতো। অর্থ্যাৎ সে মনোযোগ সহকারে নাটক উপলব্ধি করত এবং সিয়ামের ফ্যান বলে তার নাটকগুলো আবার বিশেষভাবে মনে রাখতো। এ্যানি ওয়ে, এই ভাবনার কবির তার ছাদের উপর কখনো দাঁডিয়ে,কখনো বসে ভাবতো,প্রকৃতির দিকে তাকিয়ে অজানা কিছু। ভাবনার কবির যাই ভাবতো, তাই তার মগজে এ্যাড হয়ে যেতো।

মজার বিষয় হলো, ভাবনার কবির তার ভাবনায় এমনভাবেই ডুবে থাকতো যে, কেউ সাতবার, আট বার,দশবার ডাকলেও তার উত্তর পেতো না। ধীরে – ধীরে ভাবনার কবিরের এই চিন্তাটা অভ্যাসে পরিণত হলো। এই ভাবেই কাটতেছে তার প্রতিটা দিন, প্রতিটা সময় ঐ অদ্ভুত ভাবনাকে নিয়ে। আর পাশাপাশি ভাবনার কবিরের এই ভাবনাই সাহিত্য সম্পর্কিত কিছু বইকে এ্যাড করতো। হঠাৎ একদিন ভাবনার কবির কি যেনো একটা লেখার আগ্রহ করলো। তখন সে যাই লেখছিলো কেমন জানি তা ছন্দ আকারে কবিতার মতো হয়ে যাচ্ছিলো। তারপর থেকেই ভাবনার কবির ভাবলো সে এখন থেকে লিখালিখি করবে।অত:পর গেল ভাবনার কবির থেকে ভাবনার কবি। এখন বিশ্বজৃড়ে তার লেখা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here