নেই ইন্টারনেট সংযোগ, তারা বলেন অনলাইনে ক্লাস নিন

নিজস্ব সংবাদদাতা,
করোনা ভাইরাসের কারণে সরকার ১৬ মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার পর এপ্রিল পর্যন্ত ঈদসহ নানা ছুটির কারণে মে মাস থেকেই অনলাইনে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের কাজ শুরু করে অনেক স্কুল। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় আবারো স্কুল- কলেজ খোলার সময়সীমা বাড়লো। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগামী ৬ আগস্ট খুলতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

অনলাইনে পাঠদান করছে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে (৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি) মাধ্যমিক শ্রেণিগুলোকে পাঠদান করা হয়ে থাকলেও গ্রামে টিভি না থাকাই পড়ার সুযোগ নেই বললেই চলে। আর সারাদেশে অনলাইন শিক্ষাদান কর্মসূচি চালু করেছে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের চেয়ে বেসরকারি স্কুলগুলো বিশেষ করে ইংরেজি মিডিয়াম বা উভয় মাধ্যমের পরিচিত স্কুলগুলো ফেসবুক বা জুম ব্যবহার করে অনলাইন পাঠদান শুরু করে আসছে।

শহরের শিক্ষার্থীরা অনলাইন ক্লাসের সুবিধা ভোগ করতে পারলেও শিক্ষা গ্রহণের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে গ্রামে বসবাসকারী শিক্ষার্থীরা। গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় নেই নেট থ্রিজি ফোরজি নেটওয়ার্ক । যাদের স্মার্টফোন রয়েছে তারাও ইন্টারনেটের সুবিধার অভাবে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছে না। গ্রামের শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট ব্যবহারের একমাত্র ভরসা মোবাইলে ইন্টারনেট। অনলাইনে মোবাইল ইন্টারনেটের মাধ্যমে একটি ক্লাস গ্রহণ করতে গেলে পর্যাপ্ত নেটওয়ার্ক প্রয়োজন।

এদিকে কক্সবাজারের কিছু এলাকায় রোহিঙ্গাদের কারণে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছিল। যার কারণে এই জেলার শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা বা করোনা ভাইরাসের বিভিন্ন ধরনের খবর জানতে ও হিমসিম খাচ্ছে।

অনলাইন ক্লাসে আরও একটা প্রয়োজনীয় উপকরণ হলো টেলিভিশন। শহরের শিক্ষার্থীদের প্রায় সবার বাসায় টেলিভিশন থাকলেও গ্রামে বসবাসকারী প্রায় ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর বাসায় নেই। যেখানে স্মার্টফোনের ডাটা চালানো নিয়ে গ্রামের শিক্ষার্থীরা হিমশিম খাচ্ছে সেখানে স্মার্ট টেলিভিশন তো স্বপ্নের বিষয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here