কর্ণফুলী নদীর মোহনীয় পরিবেশ মানুষের পাশাপাশি পশুদেরকেও মুগ্ধ করে!

কর্ণফুলী প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ মানেই অসংখ্য নদ-নদী ঘেরা অবারিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। নদী শুদু এদেশের জীবন-জীবিকার অংশ নয়, নদী এদেশের সৌন্দর্যের অন্যতম এক অনুষঙ্গ। প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমনপিপাসুদের জন্য নদীর বুকে ঘুরে বেড়ানো দারুন এক আকর্ষণের নাম। নদীর তীরে পড়ন্ত বিকেলে আলো-ছায়ার অদ্ভুত খেলায় একটু একটু করে চারপাশে জমতে থাকে রক্তিম আভা। গগন জুড়ে ছেয়ে যায় তার লালিমা, তার লাভণ্য। একাকার হয়ে যায় আকাশ নদী আর প্রকৃতি। এর সম্মিলনে সৃষ্টি হয় মোহনীয় পরিবেশ। এমনই সৌন্দর্যের দেখা মিলে কর্ণফুলী নদীর তীরে।

শান্ত কর্ণফুলীর নির্মল বাতাস আর কখনও ভাঙ্গা ভাঙ্গা ঢেউ। অপার সৌন্দর্যের দৃশ্য এখানে দেখতে পাবেন গোধূলি লগ্নে। প্রতিদিন সান্ধ্য প্রদীপ নেভার মতোই পশ্চিম আকাশে রক্তিম সূর্য ডোবার অপরুপ শোভা এখানে দেখা দেয় অপরুপ দৃষ্টির সীমানায়। আর রাতে হরেক রকমের আলোকসজ্জায় সজ্জিত কর্ণফুলী সেতু সৌন্দর্যের এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।

আর সেই সৌন্দর্যের টানে এখানে ছুটে আসেন শতমানুষ। কেউ কেউ নদীর পাড়ে বসে আড্ডা দেন, আবার কেউ মগ্ন থাকেন প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগে।

কর্ণফুলী নদীর সৌন্দর্য যেমন মানুষকে আকৃষ্ট করে, ঠিক তেমনিভাবে পশুরাও তার বিপরীত নয়। তারাও প্রকৃতিতে সুখ খুঁজে পায়, তারাও বিমোহিত হয় প্রকৃতির সৌন্দর্যে। ছবিতে যে কুকুরটিকে দেখতে পাচ্ছেন সেও হয়তো প্রকৃতিতে সুখ খুঁজে পেয়েছে, তাই হয়তো একমনে একচিত্তে নদীর দিকেই তাকিয়ে আছে, নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য, নদীর পাড়ের শীতল বাতাস যেন তাকেও ছুঁয়ে যায়, সেও যেন নদীর জোয়ারভাটার সাথে নিজের অস্তিত্বের জানান দিতে চায়।

কর্ণফুলী নদীর ছলছল বয়ে চলা পানি, আর আলোকসজ্জায় সজ্জিত ব্রীজের অপরুপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে আনমনা ভাবে নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করছে এই কুকুরটি। শুধু মানুষ নয় প্রাণীরাও সৌন্দর্যের পূজারী।

লেখা: ফারহান উদ্দীন (সোহাগ)
ছবি: নুরুল আবচার জয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here